• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mysterious Death,

কলকাতা

রাত ১টায় বিকট শব্দ, সকালে নিথর দেহ—যাদবপুরে কী ঘটল?

যাদবপুর থানার অন্তর্গত দেশবন্ধু রোডে আত্মীয়ের বাড়িতে এসে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। মঙ্গলবার মন্দারমণির বাসিন্দা ৬৩ বছরের তপন দাস চোখের চিকিৎসার জন্য যাদবপুরে তাঁর আত্মীয় অরুণ নায়েকের বাড়িতে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিছুদিন আগেই তাঁর চোখের অপারেশন হয়েছিল। সেই চিকিৎসার সূত্রেই তিনি কলকাতায় এসেছিলেন।পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার চিকিৎসক দেখানোর পর রাতে তিনি স্বাভাবিকভাবেই খাওয়াদাওয়া করেন। এরপর তিনতলার একটি ঘরে শুয়ে পড়েন তপনবাবু। রাত প্রায় একটার সময় হঠাৎই বিকট শব্দ শোনা যায়। আওয়াজ শুনে আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় তপনবাবু বাড়ির নিচে পড়ে রয়েছেন।কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে কেউই নিশ্চিত নন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পরিবারের সদস্যদের দাবি, তপনবাবুর চোখের সমস্যা ছিল। সেই কারণে হয়তো মাথা ঘুরে ছাদ থেকে পড়ে যেতে পারেন। তবে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার খবর ছড়াতেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় যাদবপুর থানার পুলিশ। যে বাড়িতে তিনি এসেছিলেন, সেই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তকারীরা।ইতিমধ্যেই যাদবপুর থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরিবারের এক সদস্য জানান, গভীর রাতে হঠাৎ খুব জোরে আওয়াজ হয়। শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যায় তাঁর। ছাদে পাঁচিল থাকলেও কীভাবে পড়ে গেলেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। তাঁদের ধারণা, হয়তো মাথা ঘুরে গিয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চন্দননগরে একই পরিবারের ৩ সদস্যের রহস্যমৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

চন্দননগর, ৩০ মে: হুগলির চন্দননগরে বৃহস্পতিবার সকালে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো স্থানীয় বাসিন্দারা। একই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন পরিবারের কর্তা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের কিশোর পুত্র। সূত্রের খবর, এদিন সকালে চন্দননগরের শ্রীপল্লি এলাকার একটি বাড়ি থেকে তিনজনের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, সকালবেলা দরজা না খোলায় সন্দেহ জাগে প্রতিবেশীদের। তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করে।সূত্রের খবর, বুধবার ভোর ২টার দিকে চন্দননগর থানা কোলুপুকুর গড়েরধর এলাকায় তিন পরিবারের সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা প্রতিমা ঘোষ (৪৬) এবং তার মেয়ে পৌষালী ঘোষ (১৩) এর মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রতিমার স্বামী বাবলু ঘোষ (৬২) কে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে যে বাবলু একটি টিনের বাক্স তৈরির কারখানায় কাজ করত। তবে, কিছু সময়ের জন্য, সে টোটো (তিন চাকার গাড়ি) চালানো শুরু করে এবং অবশেষে তার বাড়িতেই একটি ছোট দোকান শুরু করে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি হয় আত্মহত্যা, নয়তো পরিকল্পিত খুন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বাড়ির ভিতরে কোনোরকম লুটপাটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীদের অনেকেই জানিয়েছেন, পরিবারটি সদ্য আর্থিক সমস্যায় পড়েছিল এবং কিছুদিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার ফরেনসিক তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ পরিবারের আত্মীয়-পরিজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।চন্দননগর কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানান, আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছিআত্মহত্যা, পারিবারিক কলহ, অথবা বাইরের কোনো দুষ্কৃতীর হাত। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মে ৩০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজ্য

রক্তাক্ত স্ত্রী ও মেয়ের পাশে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বিরাট রহস্য!

শনিবার দুপুরে নারায়ণপুর থানার ১০০ গজের মধ্যে অবস্থিত এক বহুতল আবাসনের নীচতলা থেকে উদ্ধার মহিলার গলা কাটা দেহ ও এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, সাগর মুখার্জি নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী রুপা মুখার্জিকে গলা কেটে খুন করার পর কন্যা সন্তানের গলা কাটে। এরপর নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আবাসনের থেকে নিচতলার ঘরের মধ্যে থেকে সাগর মুখার্জি নামে ওই ব্যক্তির ও তার স্ত্রী দেহ উদ্ধার করে। কন্যা সন্তান জীবিত থাকায় তাকে চিনারপার্ক সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।ঘটনাস্থলে স্থানীয় বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি ও বিধাননগরের কমিশনার সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এসে পৌঁছেছেন। বিধায়ক জানান, সাগর মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে গলা কেটে খুন করেন এবং সন্তানেরও গলা কাটেন। এরপরেই ওই ব্যক্তি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন। সাগর মুখোপাধ্যায় নামে ঐ ব্যক্তিকে তিনি চেনেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুখী পরিবার হিসেবেই তাঁরা দেখেছেন মুখোপাধ্যায় দম্পতিকে। সাগর মুখোপাধ্যায় পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী বলেই জানা যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

একই পরিবারের চার জনের রহস্য মৃত্যু দুর্গাপুরে, ভয়ঙ্কর কাণ্ডের পিছনে কি?

একই পরিবারের চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল দুর্গাপুরে। দুর্গাপুরের কুড়ুলিয়াডাঙার মিলনপল্লি এলাকার এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। রবিবার ভোরে মিলনপল্লির বাসিন্দা অমিত মন্ডলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ঘর থেকে। তার স্ত্রী, ১০ বছরের এক ছেলে ও এক বছরের একটি মেয়ের দেহ ঘরের মধ্যে পড়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এলাকাবাসীরা মৃতদেহ উদ্ধার করতে পুলিশকে বাধা দেয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ , অমিত মন্ডল ও তার পরিবারকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই অভিযোগ?মৃত অমিত মন্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষের অভিযোগ, এই ঘটনার পেছনে মদত রয়েছে মৃত অমিত ওরফে বুবাই মন্ডলের মা বুলারানী মন্ডল ও মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। অভিযোগ, মৃত অমিত জানতে পেরে যায় মামার বাড়ির পরিবারের বেশ কিছুজনের ২০১২ সালে টেট পাস না করেও চাকরি হয়েছিল। এমনই কথা অমিত তাঁর বোন সুদীপ্তাকে হোয়াটস এ্যাপ মারফত লিখে জানায়। তারপরই এদিন ভোরে এই ঘটনা ! মৃত অমিত মন্ডল পেশায় একজন জমি ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ও প্রশান্ত নায়েকও জমি ব্যবসায়ী বলে ওই হোয়াটস এ্যাপ মেসেজে লিখেছে অমিত। সেখানে অমিত অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন সময়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বে-আইনী ভাবে জমির লেনদেন করে বিপুল সম্পত্তি করেছে। এছাড়াও সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে সুশান্ত নায়েক, এমনই বিষ্ফোরক অভিযোগ এনেছে অমিত, দাবী সুদীপ্তার। ওই মেসেজে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সহ সিবিআই ও পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলপন মৃত অমিত। সুদীপ্তা দেবীর আরও অভিযোগ, অমিতের হাত পেছমোড়া করে বাঁধা রয়েছে ও বাড়ীর সিসিটিভি কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, গতকাল রাতে মা বুলারানী মন্ডল এই বাড়ীতেই ছিলেন। যিনি আবার নিজের ছেলে ও তার পরিবারকে কখনও ভাল চোখে দেখতেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।গোটা ঘটনায় পরতে পরতে দানা বেধেছে রহস্য। বিশেষ করে মৃত অমিতের বোনকে করা হোয়াটস এ্যাপ মেসেজ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে কমব্যাট ফোর্স সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

যুবকের রহস্য মৃত্যুতে ধুন্ধুমার কাণ্ড, অবৈধ প্রণয়ের জের? তদন্তে পুলিশ

অগ্নিদ্বগ্ধ যুবকের মৃতদেহ ঘিরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটল বিধাননগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায়। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।ভাঙচুর করা হয় মৃতের শ্বশুরবাড়ি এবং তার স্ত্রীর প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বাড়ি। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ভাঙচুর। সামাল দিতে ইকো পার্ক থানা এবং বাগুহাটি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেয় এলাকার বাসিন্দারা।শনিবার বিধানগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায় শ্বশুরবাড়ির সামনে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয় এক যুবক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজিকর হাসপাতালে। রবিবার রাতে আরজিকর হাসপাতালে যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত যুবকের নাম সমীর মুখার্জি। যুবক শ্বশুর বাড়িতেই থাকতো। সমীর মুখার্জির সঙ্গে ১১ বছর আগে হাতিয়ারা সরদার পাড়ার ঝুম্পা মুখার্জির সাথে বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। এরপর ঝুম্পার সঙ্গে সমীরের অশান্তি শুরু হয় সঞ্জীবকে নিয়ে। সঞ্জীব ও ঝুম্পার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক জানার পর প্রায় প্রতিদিনই সমীর আর ঝুম্পার মধ্যে ঝামেলা হতো, এমনটাই জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, যুবকের স্ত্রী ঝুম্পা ও তার প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধেও তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

রসুলপুরে নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার এক

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন গেট এলাকায় নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ। ধৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ সরকার ওরফে পলাশ সরকার। বাড়ি রসুলপুর এলাকাতেই। মৃতার বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। জেলা পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশসুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে মৃতার আত্মীয় সুরজিৎ মণ্ডল জানিয়েছেন, মেয়েটি খুবই নম্র ভদ্র ছিল। একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের কথা বাড়িতে জানত। কয়েকমাস পরে সাবালিকা হবার পর তার বিয়ের জন্য সব যোগাড় চলছিল। এরমধ্যে এইরকম একটি সাধারণ মেয়ের এইভাবে হত্যা কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাঁদের ধারণা কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে ভোরবেলা ঘরে ঢুকেছিল। তারপর তাকে চিনে ফেলায় এই কান্ড ঘটিয়েছে। যে বা যারা এই কাজে যুক্ত তাদের কঠোর শাস্তি হোক। ধৃত ছেলেটিও সন্দেহের আওতায়। তার নাকি জিভ কেটে গেছে। সে বাইরে থেকে চিকিৎসা করিয়ে এনেছে বলে তাদের দাবি। অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে আজও এলাকায় শোকের ছায়া রয়েছে।গতকাল সকালে এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যেকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেলগেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। সেদিনও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে দিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনও সাড় নেই। বালিশটা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ। এলাকায় তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

সব্জী ব্যবসায়ী মায়ের অনুপস্থিতিতে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বর্ধমানের রসুলপুরে

এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশসুপার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে।পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেল গেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। আজ ও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা বাজতে ১০ মিনিট আগে তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনো সাড় নেই। বালিশ টা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ।এলাকায় এসেছেন জেলা পুলিশসুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশের টিম।জেলা পুলিশসুপার জানান; ঘটনাটি সকালের দিকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারা ফরেন্সিক টিম ডেকেছেন।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এর কিনারা করবেই পুলিশ।মৃতা মেয়েটি বৈদ্যডাঙ্গা গার্লস স্কুলে পড়তো। তার মৃত্যতে শোকের ছায়া এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

Mysterious Death : পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধু

বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম সৌরভ অধিকারী(১৯)। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কোলে মল্লিকাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবায় মেমারির নুদিপুরে পিকনিক করতে যান। এদিন হগলীর বৈঁচির সেচখাল থেকে উদ্ধার হয় সৌরভের মৃতদেহ। সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর পরিবার। এদিনই যুবকের মৃত দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মেমারি থানার পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁর তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক সৌরভ বৃহস্পতিবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে পিকনিক করতে বেরহয়। পিকনিক করার জন্য ওইদিন তাঁরা মেমারির নুদিপুরে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের লকগেট সংলগ্ন এলাকায় যায়। তার পর থেকে রাত অবধি সৌরভের আর কোন খোঁজ পাননা তাঁর পরিবার। সৌরভের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে তাঁর পরিবারকে বন্ধুরা নানারকম কথা বলে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই তৈরি হয় রহস্য। যুবকের হদিশ পেতে তাঁর পরিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এদিন সকাল থেকে মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে নুদিপুরে সেচ খালে শুরু হয় তল্লাশি। তারই মধ্যে বেলায় হুগলির পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বৈচির সেচ খালের লকগেটের কাছে এক যুবকের মৃতদেহ ভাসতে থাকার খবর আসে পুলিশের কাছে। মেমারি থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যুবকের পরিবার বৈঁচি পৌছে দেখেন সেখানকার ক্যানেলের জলে সৌরভের মৃতদেহ ভাসছে। এর পরেই সৌরভের পরিবার অভিযোগ করে সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে। সৌরভের মৃত্যুর জন্য তাঁর আত্মীয় মিলন আধিকারী সৌরভের বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেমারি থানার পুলিশ সৌরভের তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ যদিও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death: বর্ধমানে জুনিয়র ডাক্তারের রহস্য মৃত্যু, খুনের অভিযোগ তুললেন বাবা

রহস্যজনক মৃত্যু হলো বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারের। মৃতের নাম শেখ মোবারক হোসেন (২৩)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানার সাহাজাদপুরে। তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জরি বিভাগের হাউস স্টাফ ছিলেন।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টমোবারক বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর বয়েজ হোস্টেলে থাকতেন। বুধবার ভোর রাত আড়াইটে নাগাদ হোস্টেলের অন্য আবাসিক ডাক্তাররা হঠাৎই উপর থেকে ভারি কিছু পড়ার শব্দ পান। তখনই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে দেখেন নীচে ডাক্তার মোবারক হোসেন রক্তাক্ত অবস্থায় উবুর হয়ে পড়ে রয়েছে। এমন ঘটনা দেখেই হোস্টেলের অন্য জুনিয়র আবাসিক চিকিৎসকরা সিনিয়ারদের খবর দেয়। সিনিয়ার ডাক্তাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান। মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ শর্তসাপেক্ষে খুলছে বেলুড় মঠচিকিৎসকের এমন মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা? নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে! তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) সৌভিক পাত্র ও বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী এদিন ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। তাঁরা ঘটনাস্থলে সবিস্তার খতিয়ে দেখেন। এদিনই চিকিৎসকের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্তারা। তাঁরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরমৃত চিকিৎসকের বাবা শেখ হাফিজুল ইসলাম যদিও তাঁর ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে মানতে চাননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ছেলে মোবারক হোসেনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল সুহৃতা পাল বলেন,চিকিৎসক শেখ মোবারক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কথা পুলিশকে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফরেন্সিক টিম এনে তদন্ত করা হবে ।

আগস্ট ১১, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর দেহরক্ষীর 'রহস্যমৃত্যু'র তদন্তে সিআইডি

৭২ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার কাঁধে নিল সিআইডি। ২০১৮ সালে ১৩ই অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লেগে নিহত হন তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী (Security) শুভব্রত চক্রবর্তী (Subhabrata Chakraborty)। ঘটনায় শুক্রবারই কাঁথি থানায় (Kanthi) নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়। স্বামীকে খুনের অভিযোগ তুলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এফআইআর দায়ের করেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা চক্রবর্তী। সোমবারই শুভব্রতর মহিষাদলের বাড়িতেও যাওয়ার কথা গোয়েন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনীসুপর্ণার অভিযোগ পেয়ে কাঁথি থানায় ৩০২ এবং ১২০বি ধারায় এফআইআর দায়ের হয়। নিজের অভিযোগপত্রে একগুচ্ছ প্রশ্নে কার্যত শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সুপর্ণা। সেই সঙ্গে তাঁর স্বামীর মৃত্যু-রহস্যের পিছনে প্রকৃত সত্য উদঘযটনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, এফআইআরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের স্ত্রী। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তায় থাকাকালীন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হলেন শুভব্রত চক্রবর্তী (Suvabrata Chakraborty)? কেন তাঁকে দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? জানতে চেয়েছেন তিনি। এদিকে আড়াই বছর পর কেন এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুনঃ অনাড়ম্বরেই মাসির বাড়ি যাচ্ছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাএই মর্মে তিনি আগেই বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে ভয় দেখিয়ে এসব হবে না। সোজাসুজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলুন, শুভেন্দু অধিকারী তুমি আমাকে নন্দীগ্রামে হারিয়ে দিয়েছো। তাই ৩ মাস বা ৬ মাস জেলে থাকতে হবে। তিনি বয়সে বড়। যেদিন বলবেন তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে কদিন জেলে কাটিয়ে আসব।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে মহিলা কলেজের অধ্যাপকের রহস্যমৃত্যু

বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল কলেজ অধ্যাপকের রক্তাক্ত মৃতদেহ। মৃতর নাম মহম্মদ আকবর হোসেনুর রহমান(৪০)। এই ঘটনার জানাজানি হতেই বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বর্ধমানের কৃষ্ণপুর এলাকায়। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অধ্যাপকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ পলাতক স্ত্রীর খোঁজ চালাচ্ছে।পুলিশ ও মৃতর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আকবর হোসেনুর রহমান শহর বর্ধমানের উদয়চাঁদ মহিলা কলেজর ভূগোলের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর আদি বাড়ি বীরভূম জেলার মাড়গ্রাম থানার একডালায়।বর্তমানে তিনি বর্ধমানের কৃষ্ণপুর এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সস্ত্রীক থাকতেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েই এদিন সকালে বর্ধমানে চলে আসেন আধ্যাপকের বাবা মুজিবর রহমান। তিনি এদিন জানিয়েছেন,গত জুলাই মাসে হোসেনুর রহমানের বিয়ে হয় সুহানা পারভীনের সঙ্গে। এটি তাঁর ছেলের দ্বিতীয় বিয়ে। মুজিবর বাবু বলেন, তাঁর বৌমা তাঁকে ফোন করে এদিন ভোরে বলে হোসেনুর খুব অসুস্থ পড়েছে। সেইজন্য তাঁকে তাড়াতাড়ি বর্ধমানে চলে আসতে বলে। এরপর থেকেই বৌমার ফোন সুইচড অফ হয়ে থাকে। মুজিবরবাবু জানান, তিনি বর্ধমানের কৃষ্ণপুরের বাড়িতে পৌ্ঁছে দেখেন ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ কারা রয়েছে। তারই মধ্যে পুলিশ চলে আসে । পুলিশের সঙ্গে তিনিও ঘরে ঢোকেন। তখন দেখতে পান ঘরের মেঝেতে তাঁর ছেলে হোসেনুরের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। তার মাথার পিছনের দিকে আঘাতের ক্ষত চিহ্নও রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কিভাবে ছেলের মৃত্যু হল এবং কেনই বা হোসেনুরকে ফেলে রেখে বৌমা সুহানা পারভীন গা ঢাকা দিল তার সবটাই রহস্যে মোড়া বলে মৃতর বাবা মন্তব্য করেছেন ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে উঠতে পারবেন না সবাই? সান্দাকফু ভ্রমণে কী কড়া নিয়ম আনল জিটিএ?

সান্দাকফু ও ফালুটে বেড়াতে যাওয়ার আগে এ বার থেকে আরও সতর্ক হতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ে ওঠার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সান্দাকফু-ফালুট রুটে একাধিক নতুন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। থাকছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।জিটিএ সূত্রে খবর, সান্দাকফু-ফালুট রুটের থাকুম ভ্যালি, সাবারগ্রাম এবং ফালুটে ট্রেকার ও সাধারণ পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে পাঠানো হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পালস অক্সিমিটার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স। অসুস্থ পর্যটকদের দ্রুত পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনার জন্য মানেভঞ্জনে ২৪ ঘণ্টার জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।শুধু সরঞ্জাম দেওয়াই নয়, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় হোমস্টে কর্তৃপক্ষ, গাড়িচালক ও গাইডদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। ট্রেকিং রুট এবং ল্যান্ডরোভার সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জিটিএ। কোনও পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়লে কী ভাবে দ্রুত সাহায্য করতে হবে, তা শেখানো হচ্ছে তাঁদের।গাইড ও গাড়িচালকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও পর্যটকের তীব্র মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হলে তাঁকে আর উপরে উঠতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য মানেভঞ্জনে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র এবং সান্দাকফুতেও বিশেষ কর্মী রাখা হয়েছে।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সান্দাকফু ও ফালুটে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা শুরুর আগে শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখাতে হবে। ল্যান্ডরোভারে যাঁরা সেখানে যাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। শংসাপত্র না থাকলে মানেভঞ্জনের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পাহাড়ে ওঠার অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হলে তাঁকে আর উপরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের কর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দার্জিলিং জেলার সিঙ্গালিলা শৈলশিরায়, ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু ও ফালুট। ট্রেকিং কিংবা বেড়াতে গিয়ে উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের অভাবে অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও কখনও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সেই বিপদ এড়াতেই পর্যটকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে জরুরি চিকিৎসাসব দিকেই নজর বাড়াচ্ছে জিটিএ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

‘প্রতিবাদের যুগ চলছে, আদালতে এলেন কেন?’ সংরক্ষণ মামলায় আবেদনকারীকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটচুরি, নির্বাচন ও এসআইআর নিয়ে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই আবহেই সংরক্ষিত বিধানসভা আসনে পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক ভোটার। শুনানির সময় তাঁকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আন্দোলনের পথে না হেঁটে তিনি আদালতে এলেন কেন, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, এটা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের যুগ। সম্ভবত আপনারও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত ছিল। জবাবে আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তাঁদের প্রতিবাদ করার কোনও ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর গলাও ব্যথা।উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার ১৯১-কাদিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং এই মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৫২ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কাদিপুর বিধানসভা আসনটি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ব্যবস্থায় মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।জগদীশের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা আসনে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করা হোক। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে যেমন পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত আসন বদলের নিয়ম রয়েছে, বিধানসভা আসনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা চালুর কথা বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিক আদালত।আবেদনকারীর যুক্তি, সংরক্ষিত আসন পরিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় সংবিধানের ১৪, ১৫ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ওই কেন্দ্রের ভোটারেরা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ পান। কারণ, তাঁরা কেবল তফসিলি জাতির প্রার্থীদেরই ভোট দিতে পারেন।মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের ক্ষেত্রে ভোটারেরা যে জাতপাতকেই একমাত্র গুরুত্ব দেন, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভোটারেরা প্রার্থীর ধর্ম বা জাতপাতের বদলে রাজনৈতিক দল এবং তাদের আদর্শ বিবেচনা করে ভোট দেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।তবে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন আনার দাবিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে আবেদনকারীর দাবি আপাতত আদালতের সমর্থন পেল না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal